সবার জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট

|

আমার ব্লগের প্রথম পডকাস্টঃ


ফাইল ছবি

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান আর আহত হন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। দুঃখের বিষয় হলো, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে চায় না নিকটস্থ হাসপাতালগুলো। তারা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে। এতে করে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়ে। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের হাইকোর্ট দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আজকের পডকাস্টে আলাপ করেছি কিভাবে একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে শুরু হয়ে প্রতিবাদটি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে এবং হাইকোর্ট এই যুগান্তরী নির্দেশ দিয়েছে। নৈতিক দৃষ্টিতে হাসপাতালের এই অস্বীকৃতি জ্ঞাপন মোটেও সমর্থনযোগ্য না। যেইসব ‘হাসপাতাল’ চব্বিশ ঘন্টা ইমার্জেন্সি সুবিধা দেয়ার কথা বলে তারা এভাবে রোগী ফিরিয়ে দিলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য নীতি অনুযায়ী, “পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার।” স্বাস্থ্য বীমা না থাকা, হাসপাতালের অপ্রতুলতা, ডাক্তারের অভাব, ঔষধপত্র অপর্যাপ্ততা এই মৌলিক অধিকার অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আশা করা যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের এই আদেশ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হবে।

বিস্তারিত জানতে এ বিষয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস এর রিপোর্ট পড়ুন।

profilepic

ব্লগার, ফটোগ্রাফার, গ্লোবাল ভয়েসেস এর আঞ্চলিক সম্পাদক (দক্ষিণ এশিয়া)।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।